আমি মো: এ,কে,আজাদ, আমার কালজয়ী উপন্যাস (এ আবার কেমন মানুষ) থেকে নেওয়া, (কিছু খন্ড)
(শিক্ষিতরাও অমানুষ)
★★★ আজকাল আমাদের সমাজে নানা রকমের পণ্য কিনতে পাওয়া যায়। রকমারি এসব পণ্যের সাথে নানা কিছু বিনামূল্যেও দেয়া হয়। ফলে পন্যের পসার কতোটা বাড়ে জানি না- তবে বিনামূল্যের বিচরণে বিনা মানে নানা কিছু ঢুকে পড়ছে আমাদের প্রতিদিনের জীবনে। সে ঢুকুক! আপত্তি নেই। অনেকেরই হয়তো আপত্তি আছে, থাকবেও- কারণ গণতান্ত্রিক দেশে ভিন্ন মত থাকতেই পারে এবং তা প্রকাশেও কোনো বাধা দেখি না।
কিন্তু এ পণ্যের সমাহারে একটা বিষয় বেশ খটকা ঘটছে। এতোদিন বিষয়টা নিয়ে নানা জনে নানা কথা বলেছেন, কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে অনেক সেমিনার সিম্পোজিয়াম করেছেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। উল্টো অনেককেই বিষয়গুলো নিয়ে নানা রকম বাজে মন্তব্য করেছি।
কিন্তু এবার সলতে পুড়ে নিজের শরীরে আগুন লাগছে। বার্ন ইউনিটের ডাক্তার জানিয়েছেন- পুড়ে গেছে অধিকাংশ অঞ্চল, তবুও আমাদের হুঁশ হয়েনি। কারণ যা পুড়েছে তার পুরোটাই আমাদের বিবেক; বিবেক পুড়লে আমাদের তো কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু এখনো যদি সচেতন না হোন- তবে কিন্তু আসছে দিন বেশ খারাপ। এতটুকু নিস্তার পাবার জো নেই।
বিষয়টা কী? একটু খোলাসা করেই বলি। শিক্ষা। নিঃসন্দেহে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অপরিহার্য চাহিদা। এতোটাই অপরিহার্য যে- শিক্ষার জন্য আমরা সুদূর চীন দেশে তো যাই-ই, কখনো কখনো নিজের দেশে থেকেই চীন দেশের সমান শিক্ষাব্যয় করে থাকি। সন্তান জন্ম নেবার পরই- বাবা মা অস্থির হয়ে যান- কোন স্কুলে পড়াবেন, ইঞ্জিনিয়ার না ডাক্তার হবেন তারপর কী হবেন- ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই সন্তানদের নিয়ে চলে বাবা-মায়ের জোর প্রচারণা। কিন্তু আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে- এই জোর প্রচারণার পর সন্তান আসলে
কতোদূর এগোয়? কয়েন কদম?
প্রকৌশলি, চিকিৎসক, বিবিএ, এমবিএ ডিগ্রিধারী কিংবা সরকারি উচ্চপদস্থ চাকুরে- কিন্তু তারপর কী? এরপর কী আর কিছুই লাগে না। সনদই যথেষ্ঠ? একজন ঘুষখোর প্রকৌশলি নিয়ে মায়ের এতো গর্ব? কসাই চিকিৎসককে নিয়ে বাবা কী সুখ পান? কিংবা অপোগণ্ড সরকারি কর্মকর্তা- যে নিজের সুখের বিনিময়ে (?) নিজের দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে, তার কাছে কী প্রত্যাশা পরিবারের?
ভালো রেজাল্ট এখন সমাজের জন্য অপরিহার্য। আমি মানলাম- কিন্তু তারপর? তারপর কী হবে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রুমানা ম্যাডামকে নির্যাতন করা পিশাচ হাসান সাইদ- সে ও তো প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা। ভালো ছাত্র না হলে তো সেখানে ভর্তি হওয়া যায় না। তাহলে এই ভালো ছাত্র কী করলো? এরকম নির্যাতন তো আমাদের দেশের শিক্ষিত বা তথাকথিত অশিক্ষিত ত্রিচক্রযান চালকেরাও করেন না। অথবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা- যাদের হাতে ন্যস্ত ছিলো দেশের ছাত্র রাজনীতির ঐতিহ্যকে আরো সুদৃঢ় করে জাতীয় রাজনীতিতে অবদান রাখা- তারা তো টেন্ডারের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকে। হলে হলে অবৈধ সিট বাণিজ্য করে। আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা না-ই বা বললাম। কিন্তু তাদের করুণ দশাও আমাদের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য হতাশাব্যঞ্জক।
অথচ- যদি আগের ইতিহাস পড়ি; কী সুন্দরই না ছিলো সেই দিনগুলো। সেই ষাটের কিংবা সত্তর দশকের শিক্ষার্থীরা। যাদের সামনে হাজার প্রতিবন্ধকতা ছিলো, কিন্তু তারপরেও তারা স্বার্থান্বেষী হয়ে মনুষ্যত্বটাকে জলাঞ্জলি দেয়নি। আর এখন? আমরা তো এখনকার শিক্ষার্থী; আমাদের মনুষ্যত্ব কোথায়?
নেই- বিক্রি করে এসেছি। ছেলেবেলা শুনেছি, মনুষ্যত্ব থাকলে নাকি অনেক টাকার মালিক হওয়া যায় না। তাই সেটাকে নিয়ে আর ভার বাড়াইনি। মাঝে মাঝে ভাবি- এমন হলো কেনো? অনেক ভেবে ঘুরে ফিরে একটা চিন্তাতেই এসে মন আটকে যায়। মনে হয় সেই কথাটা ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রেই স্বশিক্ষিত’। তাহলে আমাদের সুশিক্ষা নাই? আমার মনে হয় নাই; এবং এই না থাকার জন্য প্রথমত আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দায়ি, দ্বিতীয়ত দায়ি আমরা এবং আমাদের পরিবার। এখন শিক্ষা বলতে যা বোঝানো হয়- তার মধ্যে কোনো নৈতিকতা বোধ থাকে না। ছেলেবেলা থেকেই একজন শিক্ষার্থী তার সহপাঠীকে পরীক্ষা হলে ভুল উত্তরটি দিয়ে আসে, এটা করে মূলত হিংসা বশত- ভাবে ‘আমার চেয়ে নম্বর সে কম পাবে’। তারপর পরীক্ষার খাতায় থাকে মায়েদের নির্লজ্জ নম্বর বাড়ানোর প্রতিযোগিতা। প্রশ্ন ফাঁস করে পরীক্ষা দেয়া তো এখন শহরের নামকরা স্কুলগুলোতে পানিভাত, আর সেই সাথে মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায়- আহা, সেখানে প্রশ্ন তো আউটই থাকে। তার মানে হলো- অনৈতিকতা, মিথ্যা বলা আমাদের শৈশবের মজ্জাগত। বুদ্ধদেব বসু তাঁর শৈশবে পেয়েছিলেন ‘কমেডি অব এররস’ এর বই; আর আমরা শৈশবে লাভ করি মিথ্যা, দুর্নীতি আর শয়তানির শিক্ষা। ওটাও এখন শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত। কিচ্ছু করার নেই।
তাহলে শিক্ষাটা দাঁড়ালো সনদ নির্ভর। বিশ্বের আর কোনো দেশে শিক্ষার এই সংজ্ঞা নেই। শিক্ষার সঙ্গে যে সংস্কৃতি এবং মানবিকতার একটা শক্ত যোগসূত্র আছে, সেটা আমাদের দেশের কেউ আর মানতে চায় না। একমাত্র আমাদের দেশেই সাহিত্য-দর্শন-ইতিহাস-বিজ্ঞান মানে ‘সিলেবাসের বাইরের বই’ কিংবা ‘আউট বই’। অথচ এসবের অভাবেই পুরো জাতিটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। উচ্ছন্নে যাচ্ছে আর সেই সাথে আমাদের সভ্যতাকে গিলে খাচ্ছে শয়তানের হিংস্রতা। আমরা এর কোনো প্রতিকার আশা করি না; কেবল আহ! উহ! শব্দ করেই আমাদের দিনযাপন হয়।
আমাদের দেশে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, তারা আক্ষরিক অর্থে কেবল সনদের জোরেই টিকে থাকে। নিজস্ব বিবেক বা বোধ মর্যাদা তাদের নেই। এই না থাকার জন্য শিক্ষার্থীরা দায়ি; কিন্তু তার চেয়ে বেশি দায়ি এইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কাঠামো। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকও এখন হয় মুদি দোকানদারের সেলসম্যান (মানে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ট টাইম খ্যাপ মারা) কিংবা রাজনৈতিক বচন বাজ (মানে লেজুড়বৃত্তি রাজনৈতিক কর্মকান্ড)। নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ শিক্ষকের থাকতেই পারে, চাইলে তাঁরা রাজনীতিও করতে পারেন- কিন্তু কেনো তাঁরা তাঁদের শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক বোধের জন্ম দিচ্ছেন না? তাঁদের কীসের ভয়? কীসের লজ্জা? নাকি তাঁদের নিজেদের বিবেক আর নৈতিকতাবোধ নেই তাই কীভাবে শিক্ষার্থীর মাঝে সেই শিক্ষা জাগাতে হয়- সেটা তাঁরা জানেন না।
আমার খুব জানতে ইচ্ছে হয়- বুয়েটের একজন শিক্ষক তাঁর শিক্ষার্থীদের কখনো প্রেমের গল্প বলেন কিনা, কিংবা কোনো মহৎ সাহিত্যের কথা বলেন কিনা। কখনো বলেন কিনা কোনো অপূর্ব কবিতার কথা। একাত্তরের কথা, কিংবা বাঙালির জাতীয়তাবাদ উন্মেষের সংগ্রামের সেই গৌরবগাঁথার কথা। যদি বলতেন, যদি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতেন নিজস্ব হৃদয় শক্তি দিয়ে জেগে ওঠার- তাহলে তো এমন ঘটনা ঘটতো না। এমন নিষ্ঠুরতা এমন হীন স্বার্থপরতা শিক্ষার্থীদের মাঝে থাকতো না।
রুমানা ম্যাডাম যে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন- এ রকম নির্যাতন ঘরে ঘরে ঘটছে। এখনো আমাদের দেশের নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন নয়; আর হলেই বা কী- অর্থনৈতিক স্বাধীনতাই তো মূল কথা নয়- মূল কথা হলো আত্মার স্বাধীনতা। যেখানে আত্মা বন্দী দাসত্বের শিকলে সেখানে সবই অর্থহীন। একেবারেই নাজুক। আমি মনে করি এসব ঘটনা সমাজের প্রতি স্তরেই ঘটছে এবং কোনো স্তরেই এর কোনো প্রতিকার ঘটছে না। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে শিক্ষার অভাবই যদি এর প্রধান কারণ হয়- তাহলে পিশাচ হাসান সাইদ তো শিক্ষিত- লেবাস আর সনদ তো আছে; সে কেনো এমন করলো? তাহলে তাকে কী শিক্ষা দেয়া হলো?
আমি তো মনে করি বাঙলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের এখন জরুরি বৈঠকে বসা উচিত। তাঁরা নাকে তেল দিয়ে ঘুমুচ্ছেন কীভাবে? তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কী শিক্ষা পাচ্ছে- যে তারা এমন করে পৈশাচিক কাজ সহজেই করতে পারে? তাহলে তো আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় গলদ আছে বলে মনে হয়। না হলে শিক্ষিত সমাজ কেমন শিক্ষা নেয়?
শিক্ষা এখন পণ্য হয়ে গেছে; হয়তো চাহিদার চেয়ে তার সরবরাহও কমে গেছে- তাই পণ্যের সঙ্গে মেশানো হচ্ছে ফাঁকিবাজি আর ভুয়া কিসিমের ফরমালিন। যা খুশি তাই, যেভাবে খুশি সেভাবে এই পণ্য গছানো হচ্ছে আমাদের হাতে। হায় রে- আমরা হতে চেয়েছিলাম উদ্ভাবনী ক্ষমতা সম্পন্ন, আর নৈতিকতা বোধসম্পন্ন উঁচু মানের মানুষ- আর আমাদের শিক্ষা আমাদের বানিয়ে দিলো হাবিয়া স্তরের পিশাচ?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এক সময় কেবল জ্ঞান-বিজ্ঞানই নয়; সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের তীর্থকেন্দ্র বলা হতো। আর এখন- পুরোটাই হয়ে গেছে বাণিজ্যের তীর্থকেন্দ্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান হয়- কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা আয়োজন করে না, করে ছাত্রলীগের (বা ক্ষমতায় থাকলে ছাত্রদলের) মদদে একপাল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান- যাদের কোনো সাংস্কৃতিক জ্ঞান নেই। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হয় না। হয় কেবল বিসিএস এর প্রতিযোগিতা, লাইব্রেরিগুলোতে বসার জায়গা থাকে না; কিন্তু লাইব্রেরিয়ান নাই- কারণ বই ইস্যু করতে হয় না। কেউ লাইব্রেরির বই পড়ে না, সবাই কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স আর বিসিএস পুস্তকে নিমজ্জিত কীট। আর বুয়েটের লাইব্রেরিতে তো টিউশনিও করানো হয়। হায় রে মেধাবীরা, তোরাই কিনা দেশের ভবিষ্যত! ধিক। এমন দেশের ভবিষ্যত তো কানা, চিরন্তন অন্ধ- অন্ধকারের চেয়েও গভীর অন্ধকার।
রুমানা ম্যাডামের উপর যা ঘটলো- তাতেই প্রমাণিত হয়, সনদ দিয়েই শিক্ষার মাপজোক করা যায় না। শিক্ষা হলো প্রকৃত মানবতার এবং ভেতরের নিজস্বতার উন্মোচন। এই উন্মোচন যদি না ঘটে- নিজস্ব সংস্কৃতির আলোকে, সাহিত্যের আলোকে- চেতনা আর ঐতিহ্যের আলোকে যদি আমরা না জাগি তাহলে আমাদের শিক্ষা সম্পূর্ণ নয়, অর্ধ-সম্পূর্ণও নয়- একেবারেই অসম্পূর্ণ। আমাদের মনের মধ্যে তাই সংস্কৃতির আলো ফেলতে হবে, নিরন্তর প্রবহমানতার আলো- একেবারে সৃষ্টির প্রথম সূর্যালোকের মতো- যে আলো জেগে উঠেছিল চর্যাপদের প্রথম অক্ষরে, সান্ধ্য-ভাষার ভাঁজে ভাঁজে। যে আলো নানা পথ আর গতির প্রবাহ ঘুরে অবশেষে আরও ঋদ্ধ হবার জন্যে এসে দাঁড়ালো বঙ্গ সমতটের বিস্তীর্ণ প্রাঙ্গনে। সেই আলো যদি গ্রহণ করতে না পারি, তাতে যদি নিজেকে উজ্জ্বল করতে না পারি তাহলে এমন শিক্ষিত হবার দরকার নেই। এমন শিক্ষিতদের মুখে থু দিতেও আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম লজ্জা পাবে। এ বিষয়গুলো যদি না দেখেন- তাহলে সময় আর বেশি নেই; মানুষের তালিকার শেষের দিকে তো চলেই এসেছি, এখন হয়তো পশুরাও তাদের তালিকায় আমাদের মতো শিক্ষিতদের (তথাকথিত) আর রাখতে চাইবে না।
উৎসর্গ আমার বাবা মা,;;;;;;;;;;;;;;;;;;;
কারোন, অনারাদের সন্তান গুলোকে দেশ সেবায় নিয়োজিতো করেছেন। দুনাজপরেব বুকে একটি মাত্র পরিবার আছে।
https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
ঘটনা প্রসঙ্গে যা বললেন হাছান মাহমুদ
আজাদী প্রতিবেদন ।।
রাঙ্গুনিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলামের গাড়ি বহরে হামলাকারীরা স্থানীয় সাংসদ হাছান মাহমুদের ‘অনুগত’ বলে যে অভিযোগ বিএনপি করেছে তা অস্বীকার করেছেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, বিএনপি নেতাদের গাড়ির ধাক্কায় দুজন আহত হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘প্রথমত এই ঘটনা যখন ঘটে তখন আমি বিমানে ছিলাম। বিমান থেকে নেমেই শুনেছি তাদের গাড়ি বহরে হামলা হয়েছে।
এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত ঘটনা।’
এ ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘রাঙ্গুনিয়ার সমস্ত লোকই তো আমার ভোটার। এখানে একটি প্রশ্ন আছে আমার। প্রথমত তারা পাহাড় ধস ঘটনার পর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার ছয়দিন পর এসেছেন। তাছাড়া ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং থানার ওসি তাদেরকে বলেছেন, কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে রাঙামাটি পৌঁছে দিবেন। কিন্তু তারা ফেরত গেছেন। তাই আমার জিজ্ঞাসা, তারা কি ত্রাণ দিতে ,এসেছেন, নাকি ঘটনা ঘটাতে এসেছেন।’ হামলার ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী-যুবলীগের কেউ দায়ী নয় বলেও জানান তিনি।
মাটির ঝুঁড়ি মাথায় হাছান মাহমুদ রাঙ্গুনিয়ায়
এদিকে গতকাল বিকালে ড. হাছান মাহমুদকে রাঙ্গুনিয়ায় মাটির ঝুড়ি মাথায় নেতাকর্মীদের সাথে রাস্তা মেরামত কাজে দেখা গেছে।
আমাদের রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি জানান, উপজেলার পৌর এলাকায় নিজেই মাটি কেটে মাথায় নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও ধসে যাওয়া অবকাঠামো স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ড. হাছান মাহমুদ। পৌরসভার ৫নং ওয়াডের্র লক্ষ্মীর খিল গুচ্ছগ্রামের সড়ক মেরামতের মাধ্যমে এই কাজের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমার এলাকায় পাহাড় ধসে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আটটি ইউনিয়নের ৪৯টি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারিভাবে এসব রাস্তা মেরামতের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও এই মেরামত কাজে যুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে সব কিছু মেরামত করা সম্ভব নয়। তাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দ্রুততার সাথে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ শুরু করায় সাধারণ মানুষ দুর্ভো্গ থেকে মুক্তি পাবে। তিনি বলেন, রাঙ্গুনিয়ার প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামতে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ দলের সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা কাজ করবে।
https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.comবড়পুকুরিয়া খনি এলাকায় ফাটল, গ্রামবাসীরা আতঙ্কে
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এলাকায় নতুন করে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
বড়পুকুরিয়া হামিদপুর ইউনিয়নের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এলাকার বাঁশপুকুর, বৌদ্যনাথপুরম, শীবকৃষ্ণপুর গ্রামের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে। কিছু কিছু এলাকা দেবেও যাচ্ছে।
খনি এলাকায় জীবন পরিবেশ ও রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক মো. মশিউর রহমান বুলবুল হামিদপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশপুকুর, বৌদ্দনাথপুরম, শীবকৃষ্ণপুর এলাকা পরিদর্শন করেন এবং বিষয়টি খনি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, গত ৫ বছর আগে সরকার ওই এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নতুন করে অধিগ্রহণ করে। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি গ্রাম কয়লাখনির মধ্যে পড়ে যায়। তবে গ্রামের কিছু অংশ অধিগ্রহণ করা হয়নি। অধিগ্রহণ করা এলাকা থেকে কয়লা তোলার কারণে গ্রামগুলোর আবাদি জমি, রাস্তাঘাট, বাসাবাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। গ্রামের মানুষদের এখন আতঙ্কে দিন কাটছে। অনেকে রাতে নিজ বাড়িতে না থেকে অন্যের এলাকায় গিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে রাত যাপন করছেন। ইতিপূর্বে এমন ঘটনা ওই এলাকায় হওয়ার পরও এলাকার মানুষ একত্রিত হয়ে আন্দোলন করেছেন। সেই আন্দোলনের ফলে সরকার এলাকার মানুষকে ক্ষতিপূরণ দিয়েছিল। তবে সেই ক্ষতিপূরণ নিয়ে এলাকার মানুষ সন্তুষ্ট নয়।
বলা হয়েছিল, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাদের জন্য নতুন করে কোল মাইনিং বিগ সিটি টাউন গড়ে তোলা হবে। যা দেখে এলাকার মানুষ খুশি হবে।
এ দিকে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড এর প্রকৌশলী হাবীব উদ্দিন জানান, আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কি পরিমাণ এলাকার ক্ষতি হচ্ছে কমিটি তা তদন্ত করে দেখবে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে পূর্বের ন্যায় তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
সহস্রাব্দের নিষ্ঠুরতা
আমাকে অনুক্ষণ ক্ষত-বিক্ষত করে ;
আমি ঘুমুতে পারি না।
আমার দুটো শ্রান্ত আঁখি
তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে,
মুহূর্তেই বীভৎস স্বপ্ন দেখে আঁতকে উঠি ;
আমি ঘুমুতে পারি না।
মানুষ তো আমি !
কে বলবে এই কথা মিথ্যে ?
জেগে জেগে কত যে স্বপ্ন দেখি প্রতিদিন !
দেখি আর ভেঙে যায়,
ভেঙে যায় আবার শুরু করি।
স্বপ্নের এই ভাঙা-গড়াতেই দিন চলে যায় ;
আমি ঘুমুতে পারি না।
২. মাক্কি আমার মা
মাক্কি,তুমি কেমন আছ জানতে ইচ্ছে করে,
দু'চোখ ভরে তোমায় শুধু দেখতে ইচ্ছে করে।
তোমার বুকে মুখ লুকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে,
পরান ভরে তোমার কথা শুনতে ইচ্ছে করে।
তোমার মুখে সুখের হাসি দেখতে ইচ্ছে করে,
তোমার কোলে সারা জীবন বাঁচতে ইচ্ছে
নতুন এক প্রচলন শুরু হয়েছে। লাখ লাখ টাকা খরচ করে
বক্তাদের উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ওয়াজ
মাহফিলে...
ব্যাপারটি আস্তে আস্তে সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। লাখ
টাকার হেলিকপ্টারে উড়ে গিয়ে বক্তারা যখন ইনিয়ে-
বিনিয়ে বলেন, ‘আমার নবীর ঘরে খেজুর পাতার ছাউনি
ছিল! এক নাগারে তিনদিন নবীর চুলায় আগুন জ্বলত না!
পেটে পাথর বেঁধে দিনের পর দিন দ্বীনের কাজ করে
গেছেন আমার নবী...।’
তখন তাদের লজ্জা করে কিনা জানি না, আমরা শুনে
লজ্জা পাই। আমার যদি ক্ষমতা থাকত, তাহলে ফতোয়া
জারি করতাম, হেলিকপ্টারে গিয়ে ওয়াজ করা এবং
তাদের ওয়াজ শোনা- দুটোই হারাম! সাফ হারাম।
নতুন এক প্রচলন শুরু হয়েছে আজকাল। লাখ লাখ টাকা খরচ
করে বক্তাদের উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ঘণ্টা
দুয়েকের জন্য। আমার মনে হয়, হেলিকপ্টারে করে গিয়ে
যাদের বয়ান করার শখ, তাদের বয়ান থেকে এক পয়সার
হেদায়েত আশা করা বোকামি। হেদায়েত মুখের কথায়
আসে না। হেদায়েতের সঙ্গে সহিহ নিয়ত এবং তাকওয়ার
(একনিষ্ঠতা) সম্পর্ক জড়িত।
বিশ্ববাসীর জন্য রহমত, আমার নবী দিনের পর দিন না
খেয়ে থেকে দ্বীনের কথা বলেছেন। সাহাবায়ে কেরাম
গাছের পাতা খেয়ে ওয়াজ করে বেড়িয়েছেন। আমরা
ছোট থেকে বড় হওয়ার পথে আমাদের বুজুর্গদের দেখেছি
মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে গিয়ে ওয়াজ করতে। এমনও
হয়েছে যে, ওয়াজ করে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিদায়
না নিয়েই চলে গেছেন। হাদিয়ার টাকা দেওয়ার জন্য
কর্তৃপক্ষ তাদের অনেককে খুঁজেও পায়নি।
আর এখন...
-১৫ হাজার, ২৫ হাজার, ৩০ হাজার...
-আগাম ফরম পূরণ, এডভান্স---বকেয়া...
গাড়ির তেল, ড্রাইভারের হাদিয়া, বিমানের টিকেট...
এভাবে যারা চুক্তির মাধ্যমে দরদাম করে ওয়াজ করে
বেড়ায় (বেড়ান নয়), সময় এসেছে তাদেরকে চিহ্নিত
করার। ওয়াজের দাওয়াত দিলে যারা আগাম টাকার
কথা বলবে- তাদেরকে মুখের ওপর ‘না’ বলে দিতে হবে।
আর এ কথা সবাইকে জানিয়ে দিতে হবে। বলতে হবে
অমুক বক্তা ওয়াজ করার জন্য, ইসলামের কথা শোনানোর
জন্য, কোরআনের বাণী শোনানোর, হাদিসে শিক্ষার
কথা আমাদের জানানো জন্য টাকা দাবি করেছেন।
আমরা তাকে প্রত্যাখ্যান করেছি; আপনারাও করুন।
দুই .
মাঝে-মধ্যেই শুনি এমন বক্তাদের সুবিধাভোগী কিংবা
তাদের আত্মীয়-স্বজনদের কেউ কেউ বলেন, গান গাইতে
আসা শিল্পীদের লাখ লাখ টাকা দেওয়া হয়, সেখানে
আমরা কিছু বলি না। আর কোরআনের কথা বলা বক্তাদের
বেশি বেশি টাকা-পয়সা দেওয়া নিয়ে আমরা কেন কথা
বলি?
কিসের সঙ্গে কী মেলানো হয়! ওরা তো প্রফেশনাল
শিল্পী। ওরা গান গায়। ওরা হালাল-হারামের সূত্র
মেনে হারমোনিয়ামে সূর তুলে না। ওরা জান্নাত-
জাহান্নামের কথা ভেবে তবলায় থাবা মারে না। ওরা
মানুষকে বলে না- গান শুনে অশেষ নেকি হাসিল করুন।
আর ওদের সঙ্গেই যদি তুলনা দিতে হয়, তাহলে তেমন
বক্তাদেরও উচিত একটা করে আরবি ব্যান্ডের নাম
দিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া। মানুষ জানতে পারবে- কার
রেট কত! খামাখা সময় নষ্ট হবে না।
হ্যাঁ, মানছি- বক্তারও পেট-পিঠ আছে। বউ-বাচ্চা আছে।
সুতরাং স্বেচ্ছায় কেউ যদি দশ-বিশ হাজার দেয়- সেটা
ভিন্নকথা। মানুষ কি কোনো বক্তাকে হাদিয়া না দিয়ে
বিদায় দেয়? এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি। তবুও তাদের
জিহ্বা এত লম্বা কেনো?
তিন.
বাংলাদেশে হেলিকপ্টার ভাড়া প্রতি ঘণ্টা ৬০ থেকে
১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। সেই সঙ্গে রয়েছে ট্যাক্স,
ইন্সুরেন্স ও ওয়েটিং চার্জ। একসঙ্গে অনেক টাকার
হিসাব। এতগুলো টাকা একজন বক্তার পেছনে কোন
বিবেকে ঢালা হয়? কী লাভ হয়?
বলবেন, হেলিকপ্টারের ভাড়া ভক্তরা দিয়ে দেয়। প্রশ্ন
হলো, সেই সহজ-সরল ভক্তদের ব্রেইনটা ওয়াশ করল কে?
কে তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দিল অমুক মাওলানাকে
হেলিকপ্টারে উড়িয়ে এনে ওয়াজ করালে সওয়াব হবে?
কেন সওয়াব প্রত্যাশী ওই সহজ-সরল দ্বীনদার মানুষটিকে
বুঝিয়ে বলা হয় না- বাবারে! তোমার গ্রামে খোঁজ
নিয়ে দেখ; কন্যাদায়গ্রস্ত অনেক পিতার রাতে ঘুম হয়
না। টাকাগুলো হেলিকপ্টারের পেছনে খরচ না করে ওই
মেয়েটির বিয়ের ব্যবস্থা করে দাও। নিশ্চিত কবুল হবে।
একটু খোঁজ নাও। দেখবে তোমার গ্রামেরই অনেক ঘরের
বাচ্চা দুইবেলা পেটভরে খেতে পায় না। পেটে ক্ষুধা
নিয়ে রাতে বিছানায় ছটফট করে ঘুমিয়ে যায়।
টাকাগুলো ওদের জন্য খরচ করো। আল্লাহ খুশি হবেন।
কিয়ামতের দিন বলবেন, বান্দা আমার কাছে আয়।
আমার অসহায় গরিব বান্দাকে তুই খাইয়েছিলি। তুই
আসলে তাকে খাওয়াসনি। আমি আল্লাহকেই
খাইয়েছিলি। আয় আমার কাছে আয়।
চার.
আজকাল অনেক মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলেও
হেলিকপ্টারে বক্তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। অথচ খোঁজ
নিলে দেখা যাবে, ওই মাদরাসার শিক্ষকের বেতন
বাকি কয়েক মাসের। বলি, এটা কেমন ন্যায়বিচার!
সারা বছর পড়িয়ে শিক্ষকরা ত্রিশ-চল্লিশ হাজারও
বেতন পান না। আর একজন বক্তা এসে এক ঘণ্টা গলা
বাজিয়ে এক লাখ টাকা সাবাড় করে চলে যাবে? হয় না।
হতে পারে না। হওয়া উচিত না।
তা ছাড়া মাদ্রাসায় এমন মূল্যের বক্তাদের দিয়ে ওয়াজ
করাতেইবা হবে কেন? এলাকার সাধারণ মুসলমানদের
ইসলাম, কোরআন ও হেদায়তের কথা বলে বোঝানোর
যোগ্যতা কি সেই মাদ্রাসার উস্তাদদের নাই?
হয়তো বলা হবে, উনাদের বয়ানে বেশি মানুষ এসে বসবে
না। বরং গীতিকার ও সুরকার টাইপ বক্তাদের নাম
পোস্টারে দিলে মানুষের ঢল নামবে। জলসা ভরপুর
কামিয়াব হবে! বলি-
কামিয়াবি কারে কয়?
উদ্দেশ্য কী ওয়াজের?
লাখো মানুষের সমাগম?
আলিশান ডেকোরেশন করে লোক দেখানো?
এ সব যদি ওয়াজ মাহফিলের উদ্দেশ্য হয়ে থাকে, তাহলে
ঠিক আছে। যে দরের খরিদ, সেই দরেই বিক্রি হোক।
আর যদি ওয়াজ হেদায়তের উদ্দেশ্য হয়, খোদার কসম
করে বলি; সহিহ বোখারি-মুসলিম যারা পড়ান, তাদের
কথায় মানুষের মধ্যে যে প্রভাব পড়বে, গলাবাজ
বক্তাদের ওয়াজে তার দশমিক শূন্য শূন্য একভাগ প্রভাবও
পড়বে না। পড়ছেও না।
কী দরকার লাখ লাখ লোক জড়ো করে হাসি-কান্নার
কোরাস গাওয়ানোর, যদি না পরিবর্তন আসে! একশ’
লোক জড়ো হোক, পাঁচজন হেদায়ত নিয়ে ঘরে ফিরুক।
এটাই তো ভালো। এটাই তো সফলতা।
আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাংক তহবিল লোপাটের
মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির
ঘটনা।
চুরি হওয়া আট কোটি দশ লাখ ডলার চলে গিয়েছিল
ফিলিপিনের ব্যাংক ও জুয়ার বাজারে । সে অর্থ ফেরত
আনার জন্য তদ্বিরও করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু বিষয়টি
এখন সে দেশে অনেকটাই স্থবির আছে।
এর দুটো কারণ আছে বলে জানালেন ফিলিপিনের
ইনকোয়ারার পত্রিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিক
ড্যাক্সিম লুকাস, যিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ
চুরির ঘটনা প্রথমে বিস্তারিত ফাঁস করে ব্যাপক
আলোড়ন তোলেন।
প্রথমত, ফিলিপিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে
গেছে। দ্বিতীয়ত: সে দেশের অনেক কর্মকর্তা মনে
করেন, ব্যাংক তহবিল লোপাটের সাথে বাংলাদেশ
ব্যাংকের কেউ-কেউ জড়িত।
বিষয়টি নিয়ে ফিলিপিন সংসদের উচ্চ-কক্ষ সেনেটে
বেশ কয়েকবার শুনানিও হয়। টেলিফোনে দেয়া এক
সাক্ষাৎকারে মি: লুকাস বিবিসি বাংলাকে
জানিয়েছেন, ফিলিপিনের আইন-প্রণেতারা গত
কয়েকমাসে বিষয়টিকে তেমন একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
গত বছরের মাঝামাঝি ফিলিপিনে সাধারণ নির্বাচন
হয়েছে। সে দেশে নতুন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতাসীন
হয়েছেন। দেশটির সংসদের উচ্চ-কক্ষ সেনেটে এখন নতুন
নেতৃত্ব। ফলে পরিস্থিতি কিছুটা বদলে গেছে।
মি: লুকাস বলেন, " গত বছর শুনানি অনুষ্ঠানের ব্যাপারে
যেসব সেনেটর ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের অনেকেই
সর্বশেষ নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেন নি। বিশেষ
করে যে সেনেটর সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন,
তিনিও নির্বাচনে জয়লাভে ব্যর্থ হয়েছেন।
ফিলিপিনের আইন প্রণেতারা এখন দেশের অভ্যন্তরীণ
নানা বিষয় নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশের
চুরি যাওয়া টাকার নিয়ে শুনানির বিষয়টি এখন চাপা
পড়ে আছে।"
এ শুনানি সহসা শুরু হবে কি-না সে বিষয়ে কোন ধারণা
করতে পারছেন না ফিলিপিনের এ সাংবাদিক। সে
দেশের আইন প্রণেতারা বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের
অর্থ ফিলিপিনে কোথাও আছে। কিন্তু এটি খুঁজে বের
করার বিষয়ে কেউ কোন আগ্রহ পাচ্ছে না।
এ টাকা চুরির ঘটনায় কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফিলিপিন
কর্তৃপক্ষ সে দেশে মামলা দায়ের করেছে। এদের মধ্যে
আরসিবিসি ব্যাংকের সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা
রয়েছে।
এখন এ মামলাটি আদালতে বিচারাধীন আছে।
ফিলিপিনে যাওয়া টাকার মধ্যে কিছু টাকা
বাংলাদেশ ফেরতও পেয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ টাকা
এখনো পায়নি।
আরও পড়ুন: লন্ডন হামলা: এ পর্যন্ত আমরা যা জানি
গত বছরের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী
আনিসুল হকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল চুরির
টাকা উদ্বার করতে ফিলিপিনের সহায়তা পাবার
আশায় সে দেশ সফর করেছিলেন। কিন্তু তাতে খুব একটা
লাভ হয়নি বলে মনে হচ্ছে।
সাংবাদিক মি: লুকাস জানালেন, " বাংলাদেশের
প্রতিনিধি দলকে ফিলিপিনের তরফ থেকে বলা হয়েছে,
রিজার্ভ চুরির হোতারা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে
আছে বলে তাদের ধারণা। বাংলাদেশ তদন্তে কী
ধরনের তথ্য পাচ্ছে সেটিও ফিলিপিনকে দেখানোর
জন্য বলেন সে দেশের কর্মকর্তারা।"
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ফিলিপিন সফর করার পর
সেখানে আর কোন অগ্রগতি নেই বলে উল্লেখ করেন এ
অনুসন্ধানী সাংবাদিক।
মি: লুকাস জানালেন, তার সাথে ফিলিপিনের সাবেক
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলাপ হয়েছে। বাংলাদেশের উচ্চ
পর্যায়ের যে প্রতিনিধি দলটি ফিলিপিন সফর করেছিল,
তাদের সাথে তখন বৈঠক করেছিলেন সাবেক এ মন্ত্রী।
ফিলিপিনের কিছু কর্মকর্তা বিশ্বাস করেন, যারা এ
অপরাধের সূচনা করেছিল তারা বাংলাদেশের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরের লোক।
" সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, বাংলাদেশ
অযথাই ফিলিপিনের ঘাড়ে বেশি দোষ চাপাচ্ছে।
অপরাধীরা হয়তো ঢাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে তিনি
মনে করেন," বলছিলেন সাংবাদিক মি: লুকাস।
বাংলাদেশের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত জন গোমেজকে
ফিলিপিনের নতুন প্রেসিডেন্ট মৌখিক আশ্বাস
দিয়েছিলেন যে অর্থ উদ্ধারে ফিলিপিন সরকার
সহায়তা করবে।
তবে ফিলিপিন্সের নতুন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কী হবে
তার উপরই নির্ভর করছে বিষয়টি কোন দিকে এগুবে।
তাছাড়া আদালতে যে মামলা এখন থমকে আছে সেটি
কবে নাগাদ নিষ্পত্তি হবে সে বিষয়ে কিছু বলা মুশকিল
বলে উল্লেখ করেন ফিলিপিনের অনুসন্ধানী
সাংবাদিক ড্যাক্সিম লুকাস।
সুত্র----বিবিসি http://www.bbc.com/bengali/news-39369659?ocid=socialflow_facebook
https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
তাহফিজে হারামাইন পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি
মাওলানা সাদেক আহমদ সিদ্দিকী এক বিবৃতিতে
পবিত্র কুরআনের আয়াত বিকৃতকারী প্রথম আলো
পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক আনিসুল হককে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দানের দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, কথাশিল্পী আনিসুল হক ‘ছহি
রাজাকারনামা’- নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক রচনায় পবিত্র
কুরআনের কয়েকটি আয়াতকে মারাত্মক ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ
করেছে। কথাশিল্প আনিসুল হক, তসলিমা নাসরিন, দাউদ
হায়দার ও ইসলাম বিদ্বেষী বvগারদের মতো পবিত্র
কুরআনের অবমাননা করে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে
চরম আঘাত দিয়েছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
আর তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই শ্রেষ্ঠ, যে রাজাকার। নিশ্চয়ই রাজাকারগণের জন্যে অতীতের চাইতে ভবিষ্যতকে উত্তম করিয়া সৃজন করা হইয়াছে। অতএব তোমরা তোমাদের প্রভু পাকিস্তানের প্রশংসা করো; নিশ্চয়ই তোমাদের প্রভু পাকিস্তানীরা ক্ষমাশীল।
যখন তোমাদিগকে বলা হইবে নেতা নির্বাচন করো, তখন তোমরা সেই ব্যক্তিকেই নির্বাচন করিবে, যাহার রাজাকারগিরি প্রমাণিত। আর তাহার মতো মূর্খ কে আছে, যে রাজাকার চিনিয়াও তাহাকে সম্মানিত না করিলো, আখেরে ইহারাই হইবে অভিশপ্ত। ইহাদের জন্যে সুকঠিন দারিদ্র্য অপেক্ষা করিতেছে। আর যে ব্যক্তি রাজাকার চিনিলো, এবং তাহাকে সম্মান করিলো, এবং তাহার পদাঙ্ক অনুসরণ করিলো, ইহাদের জন্যে অপেক্ষা করিতেছে সুমিষ্ট ফল, সুন্দরী রমণী আর সুদর্শন পুরুষ।
অনন্তর তোমাদের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র গোষ্ঠীর সৃষ্টি হইবে যাহারা রাজাকারী রজ্জু উত্তমরূপে ধারণ করিবে, আর যাহারা রাজাকারী তরিকা আদমদিগের মধ্যে উত্তমরূপে প্রচার করিবে। যাহারা রাজাকার হিসাবে বাহির হয়, তাহারা শান-শওকতের পথে চলে।
সেই ব্যক্তিই উত্তম রাজাকার, যে বিবাহ করিবে একটি, দুইটি, তিনটি, চারটি, যেরূপ সে ইচ্ছা করে আর তাহার জন্যে বৈধ করা হইয়াছে ডান হাতের অধিকারভূক্ত দাসীদের, আর তাহারা ভোগ করিতে পারিবে বাঙ্গালী রমণীগণকে, অপিচ তাহাদের সহিত আদল করিবার দরকার হইবে না। স্মরণ রাখিও, মালেগণিমতগণের মহিত মিলিত হইবার পথে কোনরূপ বাধা থাকিলো না।
আর মনে রাখিবে, যে রাজাকারী পথে বাহির হয়, সে একা নহে, সৌদি-মার্কিনীরা তাহার সঙ্গে রহিয়াছে। সেই ব্যক্তি হতভাগ্য, যে রাজাকার হইতে সাহস করিলো না এবং মনে মনে বলিলো যে, আমি রাজাকার হইবো না, কেননা পশ্চাতে লোকে আমাকে গালি দিবে। আর প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধার একেকটি আঙুলের জন্যে রহিয়াছে দশ দশটা পুরস্কার, আর যে ব্যক্তি একজন মুক্তিযোদ্ধার ডানপাঞ্জা কাটিতে সক্ষম হইলো, তাহার বরাতে ৭০ গুণ বেশি পেট্রোডলার লেখা হইলো। নিশ্চয়ই তোমাদের জন্যে রাজাকারী কাজের জন্যে পুরস্কার রহিয়াছে।
আর তোমরা কি অতীত হইতে শিক্ষাগ্রহণ করিবে না? গ্যালিলিও নামের এক পাপিষ্ঠ অতীতে সত্য অস্বীকার করিয়াছিল, এবং সে কি প্রাপ্ত হয় নাই চরম শাস্তি? আর রাজাকারগণ যাহাকে শাস্তি দিতে ইচ্ছা করেন, তাহাকে নিজ হস্তে শাস্তি দেন। আঙুল কাটিয়া ফেলা হইতে শুরু করিয়া মুণ্ডু কাটিয়া ফেলা - বিপথগামীদের জন্যে অপেক্ষা করিতেছে ভয়ঙ্কর শাস্তি। আর তোমরা কি সেই গোষ্ঠীর বংশধর নহ, যাহারা অতীতে তিরিশ লক্ষ বেদ্বীনকে কতল করিয়াছে? নিশ্চয়ই আমগাছ হইতে আম এবং রাজাকার গোষ্ঠী হইতে রাজাকার উৎপন্ন হয়।
অচিরেই দেশে নিখিল পাকিস্তান রাজাকার সংসদ গঠিত হইবে। আর রাজাকার কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে সকল লাভজনক প্রতিষ্ঠান ছাড়িয়া দেওয়া হইবে। আর রাজাকার প্রার্থীদের জন্যে চাকুরির বয়সসীমা আটত্রিশ বছর করা হইবে। এবং অবস্থা অচিরেই এইরূপ হইবে যে, রাজাকার সার্টিফিকেট নকল করিয়া লোকে রাজাকার সাজিতে থাকিবে। তখন সুন্দরী রমণীগণ সেনাকর্তাদের সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইহবার বদলে রাজাকার বরের স্বপ্নে ঘামিতে থাকিবে। কন্যাবৃন্দের মাতাগণ রাজাকার জামাতার গর্বে পাড়া মাতাইবে।
অচিরেই কাহার কল্লা থাকিবে কাহার থাকিবে না, তাহা নির্ধারণের দায়িত্ব ‘ছাই-দি’ ‘ছা-য়েব’দের হস্তে অর্পিত হইবে। আর যে ব্যক্তি দাড়িপাল্লায় ভোট দিলো, সে-ই মাসুম শিশু হইয়া গেল। ব্যালট পেপার তাহার ডান হাতে আসিবে। ব্যালট পেপার দেখাইয়া স্বর্গে প্রবেশ করা যাইবে। যে ব্যক্তি রাজাকার তহবিলে চাঁদা দিলো, সে-ই ৭০ গুণ ফেরত পাইলো। চাঁদার রসিদ দেখাইলে স্বর্গের দুয়ার খুলিয়া দেওয়া হইবে। আর তোমরা রাজাকারের প্রশংসা করো, আর রাজাকারদের সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই রাজাকারদের তহবিল পরিপূর্ণ। তাহারা তোমাদিগের মাসোহারার ব্যবস্থা করিয়া দিবে। এবং তোমরা রাজাকার মাহাত্মে বিশ্বাসীগণের নিকট জানাইয়া দাও যে, তাহাদের জন্যে অপেক্ষা করিতেছে উত্তম শরাব।
আর তোমরা মওদুদীবাদ উত্তমরূপে কল্বের মধ্যে গাঁথিয়া ফেলো। তিনিই শেষ দার্শনিক, ইহার পর আর কোনো দার্শনিক আসিবে না। অতপর তাহার দেওয়া ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
অচিরেই রাজাকার দেশের সর্বোচ্চ আসনে আসীন হইবে, এবং অচিরেই সকল কুফরি মতবাদ প্রচার ও শিক্ষা নিষিদ্ধ ঘোষিত হইবে। আর তখন তোমাদিগকে জিজ্ঞাসা করা হইবে, বলো, তোমাদের দেশ কি? তোমাদেও মধ্যে যাহারা খাঁটি রাজাকার, তাহারা বলিবে, কেন, পাকিস্তান? পুনরায় তোমাদিগকে জিজ্ঞাসা করা হইবে, তোমাদের দলপতি কে? তোমাদের মধ্যে যাহারা কল্যাণময়, তাহারা বলিবে, কেন, মওদুদী? পুনরায় তোমাদিগকে জিজ্ঞাসা করা হইবে, তোমাদের দলপতি কে? তোমাদের মধ্যে যাহারা ইহলোকের ভালো বোঝে, তাহারা জবাব দিবে, কেন, গোলাম আযম? আর তাহাদের জন্যে সুসংবাদ। তাহাদের জন্যে অপেক্ষা করিতেছে রাষ্ট্রের শীর্ষপদ আর অনন্ত যৌবনা নারী আর অনন্ত যৌবন তরুণ। কে আছেন, যে উত্তম সন্দেশ, মসৃণ তলদেশ ও তৈলাক্ত গুহ্যদেশ পছন্দ করে না।
অনন্তর সমস্ত প্রশংসা রাজাকারগণের, যাহারা রক্ত হইতে তখ্ত কায়েম করে।
(আনিসুল হক) http://bit.ly/2mZxwHQ
http://bit.ly/2nIZDej
https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
Bangladesh Ansar VDP published a job circular. A attractive
job circular published the Bangladesh Ansar VDP. Joining
the smart and big Govt. service team of Bangladesh Ansar
VDP. Bangladesh Ansar VDP is now very dependable Govt.
service team in Bangladesh. Bangladesh Ansar VDP Job
Circular 2017 related all information is found my website
HTTPS://AZADBD24.BLOGSPOT.COM
Published Date: 17 March 2017
Application Deadline: 20 tt
o 28 March 2017
Age: See The Circular
Total Post : 1495
Job Location: Bangladesh
Bangladesh Ansar VDP Job Circular 2017
To get Latest Job Update on Facebook Like our
Facebook Page
পুলিশ বাহিনীতে দশ হাজার কনস্টবল নিয়োগ
বিজ্ঞপ্তি-২০১৭
“জন নিরাপত্তার বিধান ও সেবার মহান ব্রত নিয়ে
বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দিন” এই আহ্বান জানিয়ে ১০,
০০০(দশ হাজার) ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টবল (টিআরসি) পদে
নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ
পুলিশ। এর মধ্যে ৮,৫০০ পুরুষ এবং ১,৫০০ নারী প্রার্থীকে
বাছাই করা হবে। প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে
এস এস সি পাশ।আবেদনের জন্য শেষ তারিখ ১৭ এপ্রিল
২০১৭।
এসব উল্লেখ করে আজ বিজ্ঞাপন চ্যানেল আজাদবিডি২৪.কম
জবপোস্টিং -এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন চ্যানেলে এই
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি পোষ্ট করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
আসুন দেখে নেই বাংলাদেশ পুলিশ-এর নিয়োগ
বিজ্ঞপ্তিটি।