শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০১৭

(এ,কে আজাদ)আবার বাংলাদেশ আনসার ভিডিপিতে বিশাল নিয়োগ(পোষ্ট ১৪৯৫)১৭-৩-২০১৭

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
Bangladesh Ansar VDP published a job circular. A attractive
job circular published the Bangladesh Ansar VDP. Joining
the smart and big Govt. service team of Bangladesh Ansar
VDP. Bangladesh Ansar VDP is now very dependable Govt.
service team in Bangladesh. Bangladesh Ansar VDP Job
Circular 2017 related all information is found my website
HTTPS://AZADBD24.BLOGSPOT.COM
Published Date: 17 March 2017
Application Deadline: 20 tt
o 28 March 2017
Age: See The Circular
Total Post : 1495
Job Location: Bangladesh
Bangladesh Ansar VDP Job Circular 2017
To get Latest Job Update on Facebook Like our
Facebook Page

সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০১৭

(স্বাধীন) আসিফ:-মিথ্যে অভিযোগে করেছো অপরাধী আসলে যা সত্যি নয়।

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com

শিল্পীঃ আসিফ আকবর
এ্যালবামঃ প্রিয়া কাছে নাই
মিথ্যে অভিযোগে করেছো অপরাধী
আসলে যা সত্যি নয়
কষ্টের কাঁটাতারে রেখেছো বেঁধে
ক্ষত বিক্ষত এ হৃদয়
এতোটা দুঃখ না দিলেও পারতে
ভাঙ্গা মন কি করে তাস হয়
ভুল সবই ভুল মন, ভুলেরই কারাগারে
একে একে কাটছে প্রহর, ঝড় বয়ে যায় প্রেম
নিয়তির পরিহাসে, জড়ালো দুঃখেরই চাঁদর
কেউ জানে না শুধু, তুমি তো জানো
পাইনি সুখের আশ্রয় .......
নীড় হারা পাখি হয়ে, কাটে দিন অবশেষে
একাকী বিরহের চরে, যায় প্রেম ভেসে যায়
চোখের জলের সাথে, তবে কি যাবে প্রেম মরে
বিশ্বাস অবিশ্বাসের মাঝে, মন কেঁদে বলে
এখনো আমাকে তুমি ভাবো নিশ্চয়
এই ব্লগে লিখেছেন (স্বাধীন)

শনিবার, ১১ মার্চ, ২০১৭

বিশেষ রিপোর্ট : এই মাত্র পাওয়া১৭সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ।

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
পুলিশ বাহিনীতে দশ হাজার কনস্টবল নিয়োগ
বিজ্ঞপ্তি-২০১৭
“জন নিরাপত্তার বিধান ও সেবার মহান ব্রত নিয়ে
বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দিন” এই আহ্বান জানিয়ে ১০,
০০০(দশ হাজার) ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টবল (টিআরসি) পদে
নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ
পুলিশ। এর মধ্যে ৮,৫০০ পুরুষ এবং ১,৫০০ নারী প্রার্থীকে
বাছাই করা হবে। প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে
এস এস সি পাশ।আবেদনের জন্য শেষ তারিখ ১৭ এপ্রিল
২০১৭।
এসব উল্লেখ করে আজ বিজ্ঞাপন চ্যানেল আজাদবিডি২৪.কম
জবপোস্টিং -এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন চ্যানেলে এই
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি পোষ্ট করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
আসুন দেখে নেই বাংলাদেশ পুলিশ-এর নিয়োগ
বিজ্ঞপ্তিটি।

(আজাদবিডি২৪)স্টাব: মাধ্যমিক পাশেই পুলিশে( ১০.০০০) হাজার কনস্টেবল পদে নিয়োগ

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে
জনবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেয়া হবে।
 ৮-১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়
বাছাই প্রক্রিয়া চলবে। পুরুষ কনস্টেবল ৮ হাজার ৫০০
এবং নারী কনস্টেবল ১ হাজার ৫০০ জন নিয়োগ দেয়া
হবে।
প্রার্থীদের নিজ নিজ জেলায় শারীরিক মাপ ও
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শেষে বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া তারিখ
অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে
হবে।
প্রার্থীর যোগ্যতা :
বয়স :
সাধারণ/অন্যান্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ০১/০৪/২০১৭
তারিখে বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২০ বছর (০২/০৪/১৯৯৯ হতে
০২/০৪/১৯৯৭ এর মধ্যে জন্ম)। মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ
মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ক্ষেত্রে ০১/০৪/২০১৭ তারিখে
৩২ বছর হতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা :
এসএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ
২.৫, বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে ও অবিবাহিত হতে
হবে।
শারীরিক মাপ :
সাধারণ ও অন্যান্য কোটা পুরুষের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৬
ইঞ্চি, মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুরুষের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪
ইঞ্চি, উপ-জাতীয় কোটা পুরুষের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি।
নারী প্রার্থীদের সকল কোটা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি
শারীরিক মাপ ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণকালে সঙ্গে যা
যা আনতে হবে :
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র/সাময়িক সনদপত্রের মূল
কপি। ইউনিয়ন পরিষদের পরিষদের চেয়ারম্যান/সিটি
কর্পোরেশন বা পৌরসভার মেয়র/ওয়ার্ড কাউন্সিলর
কর্তৃক স্থায়ী নাগরিকত্বের সনদপত্রের মূল কপি।
প্রার্থীর জাতীয় পরিচয় পত্রের মূল কপি (যদি না থাকে
মাতা/পিতার পরিচয় পত্রের মূল কপি)। সরকারি
গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত ৩ কপি সদ্য তোলা
পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
পরীক্ষার ফি ১০০ টাকা। ১-২২১১-০০০০-২০৩১ নম্বর কোডে
ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমাপূর্বক চালানের কপি
আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ক্ষেত্রে
পিতা/মাতা/পিতামহ/ মাতামহের নামে ইস্যুকৃত
মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্রের মূল কপি যা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী
কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও প্রতি স্বাক্ষরিত হতে হবে।
পুলিশ পোষ্য কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে পিতা/
মাতার নাম, পদবী, বিপি নম্বরসহ কর্মরত ইউনিটের
প্রধান কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্রের মূল কপি সঙ্গে আনতে।
আনসার ও ভিডিপি কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪২
দিন মেয়াদী প্রশিক্ষণের মূল সনদপত্র আনতে হবে।
পরীক্ষা পদ্ধতি :
নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে দৌড়, রোপিং ও
জাম্পিং ইত্যাদি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরৎলিখিত
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে (ন্যূনতম ৪৫% মার্ক
প্রাপ্তদের উত্তীর্ণ বলে গণ্য করা হবে)। লিখিত
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০ নম্বরের মনস্তাত্ত্বিক
ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
নির্বাচন পদ্ধতি :
লিখিত মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত
নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে
নির্বাচিত করা হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য
পরীক্ষায় বিবেচিত হলে প্রশিক্ষণের জন্য
প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হবে।
প্রশিক্ষণকালীন সুবিধা :
প্রশিক্ষণকালীন বিনামূল্যে পোষাক সামগ্রীসহ থাকা,
খাওয়া ও চিকিৎসার সুবিধা দেয়া হবে এবং ৭৫০/-টাকা
হারে প্রশিক্ষণ ভাতা দেয়া হবে।
নিয়োগ ও চাকরীর সুবিধাদি :
প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন
স্কেলের ১৭তম গ্রেড (৯০০০-২১৮০০/-) টাকা ও অন্যান্য
বেতন-ভাতাদিসহ পুলিশ বাহিনীতে কনস্টেবল পদে
নিয়োগ করা হবে। বিনামূল্যে পোশাক সামগ্রী ঝুঁকি
ভাতা, চিকিৎসা ভাতা সহ রেশন সামগ্রী স্বল্প মূল্যে
দেয়া হবে।
https://azadbd24.blogspot.com

শুক্রবার, ১০ মার্চ, ২০১৭

(এ,কে,আজাদ)সারা জীবনের ভুল

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
রক্তাক্ত হৃদয়ের রক্ত-ক্ষরণ আমার আজও থামেনি, আজও
থামেনি আমার ভুলের সাগরে ফুলের-তরী ভাসানোর
নিস্ফল আয়োজন। ভুল করে ভুলে গিয়ে কস্টের বালুচরে
নিজের নিয়তির বসতি গড়ে চলেছি আজ অবধি।
পলাতীত স্বপ্নবিলাসী ফ্রিজ মন আমার অস্বীকার
করিনা। আল্লাহর অশেষ কৃপায় একজীবনে নিজের
অবস্থানটাকে চাওয়া-পাওয়ার অনেক উপরে উঠিয়ে
এনেছিলাম নিজের যোগ্যতায়। নিজেকে অনেকের
কাছেই উদাহরণ হিসেবে দাড় করিয়েছিলাম এই বয়সেই।
https://mobile.facebook.com/azadbd24com/
পরিশ্রম করে অজ্বন করেছি আর ভুল করে হারিয়েছি। ভুল
করে সারাটা জীবন শুধু ভুল মানুষগুলোকে কাছে
টেনেছি।
আমার অবুঝ ভুলগুলো আমার জীবনটাকেই আমার কাছে
অচেনা বানিয়ে দিলো।
জন্মানোতে হয়তো আমার কোনো হাত ছিলোনা বলেই-
ভুল করে জন্মেছি এটা বলার কোনো সুযোগ নেই। জন্মের
পর থেকেই শুধু নিয়ম করে করে ভুল করেই চলেছি।
এতোটাই সাধারণ জীবন যাপন করতে চেয়েছিলাম যে-
ব্যাপারটা ভাবতেই আমার অসাধারণ লাগতো।
মানুষই ভুল করে। ভুল করে আবার ভুল শুধরায়। ভুল থেকেই
ভুল না করার শিক্ষা নেয়। কিন্তু আমি তা পারিনি।
পারিনি বলেই পুনরায় ভুল করি।। আমার বুকের লালিত
সাজানো ছোট ছোট স্বপ্নগুলোকে কস্টের সুতোয় গেঁথে
ভুলেরই মালা বানাই। একটা জীবনে মানুষ যতটা ভুল
করতে পারে, আমি হয়তো তারও সীমা ছাড়িয়েছি।
নিজের ভুলগুলো কারো ঘাড়ে ছাপিয়ে দায়মুক্তি
চাইনি বলেই- আজও আমি চন্নছাড়া। দেহ নামের
স্ট্যালিয়নটা আজ আমার বেজায় অবসন্ন। প্রতিক্ষার
আকাশে কালো মেঘের হাতছানি। অন্ধকারের ঘনঘটা
আমার আলোময় ভুবনে।
এবার ঘুরে দাঁড়াতে চাই! আরও একবার ঘুরে দাঁড়িয়ে
জীবন থেকে ভুলগুলোকে ছুটি দিতে চাই। ভুলের তরী
ডোবাতে চাই কস্টের অতল সাগরে। ভুলের মালা গলায়
জড়িয়ে জীবনটাকে ভবিষ্যৎ এর হাতে বিসর্জন দিতে
চাইনা- নিজের স্বপ্নগুলোকে কাচের টুকরো করে!!

(এ,কে,আজাদ) মানুষ হওয়ার লোভ আমার আজ গেলো না।


সময়ের স্রোতে পা থমকে দাড়ায়
রোদ্রময় আকাশের নিচে।
সেই সময় টুকু নেই আজ আমার
মানুষ হওয়ার লোভে।
দিনের পর দিন ছুটে বেড়ায়
মানুষ হওয়ার জয়ে।
মানুষ করিবে কে আমায়? কোন
মানুষ?
মানুষ আছে কি এদেশে।
মানুষ হওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে শুনি
হাজার মহাকাব্যের বাণী।
সেই তো মানুষ নয়। মানুষের
বানানো
পরিবতিত এক নকল মনি।
বিবেক আমার পতিত হয় গুরুর
বিবেকে
শিক্ষা দেয় রক্তের লড়াই
সেই না কি আসল মানুষ? মানুষের
জগতে
কেমনে মানুষ গড়ায়।
ব্যস্ত জীবন চলার মাঝে রক্ত
ক্ষয়ে
শিখব কেন এমন লড়াই।
মানুষ শিখবে, প্রকৃত মানুষ দেখে
এমনি মানুষ খুজে বেড়ায়।

রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

কলঙ্ক ময় পিলখানা হত্যা দিবস আজ?????

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
কলঙ্কময় পিলখানা হত্যা দিবস আজ।
আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কময়
একটি দিন। ২০০৯ সালে এই দিনে পিলখানায় তৎকালীনতৎকালীন
বিডিআর সদর দপ্তরে শুরু হয় বিডিআর বিদ্রোহ।
বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ওই বাহিনীর ৭৪
সদস্য নিহত হন।
ওই দিন সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে দরবার হলে চলমান
বার্ষিক দরবারে একদল বিদ্রোহী বিডিআর সৈনিক
ঢুকে পড়ে। এদের একজন বিডিআর মহাপরিচালকের বুকে
আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে। বিডিআরের বিদ্রোহী
সৈনিকরা সেনা কর্মকর্তাদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে
ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে
তাদের পরিবারকে জিম্মি করে ফেলে। পুরো
পিলখানায় এক ভীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়।
চারটি প্রবেশ গেট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে
আশপাশের এলাকায় গুলি ছুড়তে থাকে বিডিআরের
বিদ্রোহী সৈনিকরা। তাদের গুলিতে একে একে লুটিয়ে
পড়ে মেধাবী সেনা কর্মকর্তারা। পিলখানা পরিণত হয়
রক্তাক্ত প্রান্তরে।
টানা ৩৬ ঘণ্টা শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি মোকাবেলার পর
২৬ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে আসে। আলামত মুছে
ফেলতে লাশ পুড়িয়ে দেয়া, গণকবর, ম্যানহোলে ফেলে
দেয়াসহ নানা পদক্ষেপ নেয় বিদ্রোহীরা। ২৬
ফেব্রুয়ারি পিলখানা থেকে আবিষ্কৃত হয় গণকবর।
গণকবর থেকে উদ্ধার করা হয় সেনা কর্মকর্তাদের লাশ।
লাশ আর পিলখানার ধ্বংসযজ্ঞ দেখে স্তম্ভিত হয়ে যায়
সারাদেশের মানুষ।
এ ঘটনায় তিনটি মামলা করা হয়। এসবের মধ্যে বিদ্রোহ
ও হত্যা মামলার রায় হলেও বিস্ফোরক মামলার রায়
এখনও হয়নি। মামলাটি এখন হাইকোর্টে বিচারাধীন
রয়েছে। এ মামলার ৮৩৪ আসামির মধ্যে ২০ জন এখনও
পলাতক।
বর্ডার গার্ড আইনে বিদ্রোহের সর্বোচ্চ সাজা রাখা
হয় মৃত্যুদণ্ড। বিদ্রোহের ঘটনায় করা হত্যা মামলায়
বিশেষ আদালত ১৫২ জনকে ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবনযাবজ্জীবন
ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়।
পিলখানায় এই বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বাহিনীটির
সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে যায়। বিডিআরের নাম,
পোশাক, লোগো, সাংগঠনিক কাঠামো, পদোন্নতি
ইত্যাদি ব্যাপারে পুনর্গঠন করা হয়। নাম পরিবর্তন করে
রাখা হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এছাড়া
পরিবর্তন করা হয় বিডিআর বিদ্রোহের আইন।
সরকার বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাটিকে ‘পিলখানা
হত্যা দিবস’ হিসেবে প্রতি বছর পালন করার সিদ্ধান্ত
নিয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি
হাতে নেয়া হয়েছে।
নিহতদের স্মরণে নানা কর্মসূচি
বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের স্মরণে আজ নানা
কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে
শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় পিলখানাসহ
বিজিবির সব রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের
ব্যবস্থাপনায় বাদ ফজর খতমে কোরআন; বিজিবির সব
মসজিদে এবং বিওপি পর্যায়ে দোয়া ও মিলাদ
মাহফিল।


সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় শনিবার সকাল ৯টায়
বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি,
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন
বাহিনীর প্রধানগণ (সম্মিলিতভাবে), স্বরাষ্ট্র সচিব
এবং বিজিবি মহাপরিচালক (একত্রে) শহীদদের
স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহসিন রেজা জানান,
দুই দিনের কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন রবিবার বাদ আসর
পিলখানাস্থ বীর উত্তম ফজলুর রহমান খন্দকার
মিলনায়তনে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত
হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আসাদুজ্জামান খান কামাল।
 শেয়ার করুন।

বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
আহম্মেদ)
টংগুয়া<খানসামা>একটি বাস্তব মনের
কথা। মাগো মনে পড়ে তোমায়
https://
facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
লেখক,(এ,কে,আজাদ) খুব মনে পড়ে মাগো♥♥♥♥♥
গায়ে জ্বর নিয়ে তোমায় লিখছি মাগো।
তোমায় চিঠি লিখছি কেনো, জানো মা?
ফোনে যদি তোমাকে বলি আমার জ্বর হয়েছে,
তাহলে তুমি অনেক চিন্তা করবে। বাবাও
করবে। দুজনরই তো বয়স হয়েছে, নাকি? কিন্তু
তোমাকে না বললে যে
জানটা বের হয়ে যায়।
মা, তুমি কেমন আছ?
আচ্ছা মা, আমাদের লিপু কেমন আছে?
একটা নয়তো, অনেক জন।বাড়ি ভর্তি মানুষ মানুষগুলোকে
অনেক মিস করছি। মা,আসফির জর কমেছে তার কী খবর?
গতবার অনেক গতবার অনেক কেদেঁছিলো পাগলিটা।
মামাদের
বাড়িতে আমার জন্য তোমার  কান্নাটা আজ আমাকে
কাদিয়ে যায় । খুব
মনে পড়ে মাগো।জানি তুমি আর বাবা ছারা আমায়
কেউ মিস করে না।
মা, ওদের জিজ্ঞেস করো তো, ওরা কি আমাকে
খুব মিস করে?
হলদে পাখিটা কি আমাকে মিস
করে? সন্ধ্যার জোনাকির দল কি আমার কথা
ভাবে? তোমার সঙ্গে প্রতিদিনই ওদের কথা হয়,
দেখা হয়। জিজ্ঞেস করো তো, জোছনা রাতের
কবিতার মতো চাঁদটা আমার জন্য অপেক্ষা করে
নাকি? বাবা এতো বেশি বয়সে বাড়ির অনেক কাজেই
করে।আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্বিত, মা।
সহজ, সরল, মাটির মানুষ। সৎ-পরিশ্রমী ও
দায়িত্বশীল একজন বাবা। মা, বাবা হয়তো
আমাকে ছোটবেলায় অ, আ, ক, খ পড়ায়ছিলো, সেই
সুযোগটা আমার হয়েছে।
জীবনের সবচেয়ে সোনালি সময়টা ত্যাগ
করেছে আমাদের সুখের জন্য। তবে বাবার কাছ
থেকে আমি শিখেছি ত্যাগ আর ভালোবাসা।
প্রিয় মানুষের জন্য ত্যাগ আর তাদের জন্য
অপরিসীম ভালোবাসা।
মা, আমিও বাবার মতো সবাইকে ভালোবাসতে
চাই। সবার জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে চাই।
সবাইকে ছুঁয়ে যেতে চাই।
মা জানো, নিজেকে মাঝেমধ্যে তোমাদের
কাছ থেকে খুব দূরে দূরে মনে হয়। কারণ,
তোমাদের জন্য এখনো কিছু করতে পারিনি
আমি। আমার বড় ভাইগুলো অনেক ভাগ্যবান। ওদের
জন্য আমি খুব গর্ব অনুভব করি। যদিও কনো ভাই বলে
আমারএকটা সংসার আছে আমি আর পারবনা
তবু একজন কী একজন তোমার পাশে থাকেই, বাবার মতো
ও খুব ত্যাগী আর সৎ। দারুণভাবে গোটা সংসার
চালিয়ে নিচ্ছে। তুমি দেখো মা, আমি আমার
লক্ষ্য ছোঁব, তোমাদের সবাইকে খুশি করব। শুয়ে
শুয়ে লিখছি বলে আঙুলে ব্যথা হচ্ছে, মা।
তোমার দোয়ায় যেন তাড়াতাড়ি জ্বর সেরে
যায়, আবার যেন হাসতে পারি।
ইতি, তোমার আদরের ছেলে।
Google-এ এটির সুপারিশ করুন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
একটি লিঙ্ক তৈরি করুন
কোন মন্তব্য নেই:
https://facebook.com/
akakishadhin.akakishadhin.com
অনুসরণকারীরা (1)
অনুসরণ
অনুসরণকারীazadbd24.com
অনুসরণকারী
http://azadb24.com
azadbd24.com
https://azadbd24.com
অনুসন্ধান
www.azadbd24.blospot.com
Azad bd24
আমি বাংলাকেই ভালোবাসি
২টি চেনাশোনা
Google a.k.azad
বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট লেখক মো:আবুল
কালাম আজাদ
(স্বাধীন আহম্মেদ)
টংগুয়া<খানসামা>একটি বাস্তব মনের
কথা। মাগো মনে পড়ে তোমায়
Azad bd24
2টি চেনাশোনা 6
আমার সম্পূর্ণ প্রোফাইল দেখুন
আমি একজন সাধারন ঘরের ছেলে,আমি
চাই আমার কাছ থেকে কেউ যেন কষ্ট না
পায়,
▼ 2017 (13)
▼ February (5)
(স্বাধীন আহম্মেদ)
টংগুয়া<খানসামা>একটি বাস্তব
মনের ...
বসন্ত এলো প্রানে,তাইতো হারিয়ে
যেতে চায় মনটা অচেনাত...
এক নজরে ৩৭ তম জাতীয় সমাবেশে
আনসার ভিডিপির পরিচিতি
স্বাধীন আহম্মেদঃসবাই বিপদে পরলে
খোজ করে?
স্বাধীন আহম্মেদঃসবাই বিপদে পরলে
খোজ করে?
► January (8)
► 2016 (26)
https://azadbd24.blogspot.com
অনুসন্ধান
https://www.azadbd24.blospot.com
অনুসন্ধান

(স্বাধীন আহম্মেদ) টংগুয়া<খানসামা>একটি বাস্তব মনের কথা। মাগো মনে পড়ে তোমায়

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
লেখক,(এ,কে,আজাদ) খুব মনে পড়ে মাগো♥♥♥♥♥

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

বসন্ত এলো প্রানে,তাইতো হারিয়ে যেতে চায় মনটা অচেনাতে

(স্বাধীন আহম্মেদঃ)খানসামা♥দিনাজপুর।
ভালোবাসা মানে নীল প্রজাপতি, ভালোবাসা মানে
হার মানা ক্ষতি, ভালোবাসা মানে রূপালী উজান,
ভালোবাসা মানে জোসনার গান, ভালোবাসা মানে
উষ্ণ স্রোতে বরফ গলা নদী...।
কণ্ঠশিল্পী আসিফের গানের কথামালার মতই
ভালোবাসা শাশ্বত, ভালোবাসা অবিনশ্বর-চিরযৌবনা,
ভালোবাসা সর্বজনীন। বসন্তের আগুন লাগা ফাগুনে
প্রকৃতিতে নেমেছে ভালোবাসার মৌসুম। আজ ১৪
ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসার
বার্তা সার্বজনীন হলেও ভালোবাসা দিবসের উচ্ছ্বাস
ও উন্মাদনা তরুণদের মাঝে সবচেয়ে বেশি। তবে তাদের
মাঝেও রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ
ভালোবাসাকে একটা বিশেষ দিবসে আবদ্ধ করে রাখতে
নারাজ। আরেক পক্ষের দাবি, বছরজুড়েই ভালোবাসা
থাকবে কিন্তু ভালোবাসা দিবসকে বিশেষভাবে
উদযাপনে দোষের কিছু নেই। বরং ওই একটা দিনকে
ঘিরে ভালোবাসার মানুষগুলোর কাছে আবেগ প্রকাশের
যে সুযোগ, তা বছরের অন্য সময় ব্যস্ততার ফাঁকে হয়ে
ওঠে না। সময়ের স্রোতে ভালোবাসা এখন আর
প্রেমিকযুগল কিংবা নির্দিষ্ট বয়সের ফ্রেমে সীমাবদ্ধ
নয়। ভালোবাসার প্রকাশ কিংবা উদযাপন এখন মা-
বাবা এবং পরিবারের সদস্য নিয়ে হয়, শিক্ষক-
শিক্ষার্থীতে হয়, সহকর্মীদের সাথে হয়, হয় পথশিশুদের
খাইয়ে অথবা বৃদ্ধাশ্রমে আনন্দ ভাগাভাগি করে। আর
সেটাই বোধহয় ভালোবাসার স্বার্থকতা। কয়েকবছর
আগেও ভালোবাসা দিবসকে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির থাবা
বলে ধুয়োধ্বনি দেওয়া হলেও আজ সেটা সার্বজনীনতা
পেয়েছে। তবে এর মাঝে তারুণ্যের বিপথগামীতাও
থেমে নেই। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ভালোবাসাই সত্য,
ভালোবাসাই চিরন্তন। ভালোবাসা দিবস নিয়ে তরুণদের
থাকে নানা পরিকল্পনা-প্রস্তুতি। দিবসটি উদযাপন
নিয়ে কথা হয় সুদূর পোল্যান্ডে থাকা চট্টগ্রামের ছেলে
বাকি বিল্লাহ মোহাম্মদ শিবলীর সাথে। শিবলী
জানান, দূরদেশে বসে ভালোবাসার মানুষকে যেন আরো
বেশিই মনে পড়ে। এবার ভালোবাসা দিবসের
পরিকল্পনা বিষয়ে শিবলী জানান, ওর কণ্ঠে কবিতা আর
গান আমার ভীষণ প্রিয়। ভালোবাসা দিবসের প্রথম
প্রহরে সেসবই শুনবো। এবারের বইমেলায় রচিত ‘দরিয়ার
চিঠি’ (লেখক- সাদিয়া বিনতে শাহাজাহান) নামে তার
একটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। প্রবাসে বসে
আপাতত সেটার প্রচারণা করছেন বলেও জানান তিনি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাজনুভা আহমদ
তাজিন বলেন, প্রিয় মানুষটির সাথে প্রতিদিন দেখা না
হলেও ফোনে কথা বলে আপডেট থাকতে হয়। না হয় খুব
টেনশন লাগে। তবে আমরা কেবল নিজেদের খোঁজখবরের
মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকি না। দুজনই নিজেদের পরিবারের
সদস্যদের খবরাখবর রাখি, নিয়মিত কথা বলি।
ভালোবাসা তো কেবল দুজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়,
https://m.facebook.com/akazadbd24/

পুরো
পরিবার মিলে ভালো থাকাই আমাদের কাছে
ভালোবাসা। সদ্য বিবাহিতা সাদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা অবশ্য এবারের
ভালোবাসা দিবস কাটাতে চান শ্বশুর-শাশুড়িসহ
পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে স্বামীর রেস্টুরেন্ট
‘ভাদরাজ ক্যাফে’তে। নাহিদা জানান, জীবনে অনেক
ভালোবাসা দিবস নিজেরা নিজেরা উদযাপন করেছি।
কিন্তু পরিবারের সাথে উদযাপনের সুখ বোধহয় একদম
আলাদা। এখন ভালোবাসার সুখটুকু সবার সাথে
ভাগাভাগি করতেই বেশি ভালো লাগে। এদিকে সবাই
যখন প্রিয় মানুষটির সাথে ভালোবাসা দিবস উদযাপনে
রঙিন পরিকল্পনায় ব্যস্ত তখনো একগাদা পথশিশুদের
সাথে নিয়ে ব্যতিক্রমী ভালোবাসা দিবস উদযাপনে
ব্যাকুল তানজীল রশিদ নামের এক তরুণ। যিনি বছর
তিনেক ধরে এই দিনটিতে শতশত পথশিশুদের খাওয়ানোর
মধ্যেই তৃপ্তি খুঁজে পান। নগরীর ষোলশহর রেল স্টেশনে
বসবে তার এই মানবিক ভালোবাসার আসর। যেখানে তার
সামাজিক সংগঠন ‘অগ্রগ্রাহী’ এবং তার বন্ধুরা মিলে
অন্তত পাঁচ শতাধিক শিশুদের খাবারের আয়োজন
করেছেন।
তবে ভালোবাসাকে একটি বিশেষ দিনে সীমাবদ্ধ করে
রাখতে নারাজ সাউথ পয়েন্ট স্কুল এ্যান্ড কলেজের
শিক্ষিকা ইশরাত জাহান শারমীন। তিনি বলেন,
ভালোবাসা দিবসের নামে বর্তমান প্রজন্ম যে ধরণের
উন্মত্ততায় মেতে ওঠেছে তা আমাদের বাঙালি
সংস্কৃতি এবং সমাজব্যবস্থার সাথে সাংঘর্ষিক।
সেজন্য অসঙ্গতিপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা এবং আধুনিকতার
নামে পরসংস্কৃতি চর্চাকে দায়ী করেন তিনি।
অন্যদিকে ইশরাত জাহানের সাথে দ্বিমত পোষণ করেন
পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন,
ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে অন্তত একটা দিনের জন্য
হলেও আপনজনদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার
সুযোগের পাশাপাশি আমাদের মনে শুদ্ধতা তৈরি হয়।
মানছি, ভালোবাসার জন্য কোন দিবস লাগেনা।
প্রতিদিনই ভালোবাসা যায়। কিন্তু এই বিশেষ দিবসকে
ঘিরে আপনি যেভাবে ভালোবাসার মানুষকে চমকে
দেওয়ার পরিকল্পনা করবেন প্রতিদিন তো সেটা করা
হয়ে ওঠেনা। আর বিশেষ দিনে আপত্তি থাকলে তো
https://m.facebook.com/akazadbd24/

জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকীসহ বিভিন্ন দিবস পালন করাও

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

এক নজরে ৩৭ তম জাতীয় সমাবেশে আনসার ভিডিপির পরিচিতি

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী

প্রোফাইল

 আনসার ও ভিডিপি-পরিচিতি

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের আইন-শৃংখলা রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন কেপিআই, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তা রক্ষা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তামূলক কাজ, পরিরেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আত্বনির্ভরশীলতা, পরিকল্পিত পরিবার গঠন, দারিদ্র্য বিমোচন, নিরক্ষতা দূরীকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন, জাতীয় ও উপ-নির্বাচন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন - ঈদ, পূজা, বড়দিন, নববর্ষ ইত্যাদির নিরাপত্তা বিধান করাসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করে থাকে। ১৯৪৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি এ বাহিনী গঠিত হয়। ১৯৫২-এর ভাষা অন্দোলনে এই বাহিনীর সদস্য আনসার প্লাটুন কমান্ডার আব্দুল জব্বার শহীদ হন। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল ‍মুজিব নগরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার ইয়াদ আলীসহ ১২ জন আনসার সদস্য বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী  রাষ্ট্রপ্রধানকে ‘‘গার্ড অব অনার” প্রদান করেন। ১৯৭৬ সালে প্রথম আনসার ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়। বর্তমানে এ বাহিনীর ২টি মহিলা আনসার ব্যাটালিয়ন সহ ৩৯টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আইন-শৃংখলা রক্ষা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দীর্ঘদিন প্রশংসনীয় অবদান রাখায়
সরকার এ বাহিনীকে ১৯৯৮ সালের ১০ মার্চ জাতীয় পতাকা প্রদান করেন। ক্রীড়া ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বাহিণীকে “স্বাধীনতা পদক ২০০৪” প্রদন করা হয়। ২০১০ সালে ১০ম সাউথ এশিয়া সাব গেমস্-এ এই বাহিণীর সদস্যরা সর্বমোট ১১টি স্বর্ণ পদক লাভ করে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বৃহত্তর এ বাহিনীর ১৬টি ব্যাটালিয়নের ৭২৭২ জন সদস্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ৬০০ জন হিল আনসার ও ৭৮৮৭ জন হিল ভিডিপি পার্বত্য এলাকায় অপারেশন উত্তরণে সহায়তা পদান করছে। দেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী অভিযানে অত্যন্ত সুনামের সাথে ১০(দশ)টি ব্যাটালিয়নের মোট ২৬৩৯ জন সদস্য সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করছে। সমতল এলাকায় পুলিশের সাথে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা থেকে শুরু করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন সরকারি সম্পত্তি রক্ষার কাজে ১০টি ব্যাটালিয়নের ৪১৬০ জন সদস্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রায় ৪০০০০ অঙ্গীভূত সাধারণ আনসার সদস্য সরকারি বেসরকারি সংস্থা ও কেপিআই সমূহের নিরাপত্তা সেবায় নিয়োজিত আছে। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (RAB) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাসহ অত্র বাহিনীর মোট ৫১৯ জন (পুরুষ ও মহিলাসহ) ব্যাটালিয়ন সদস্য প্রেষণে নিয়োজিত আছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাবৃন্দ SSF এ নিয়োজিত আছেন। এ বাহিনীর সদস্যবৃন্দ ক্ষুদ্র পরিসরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিণীতে কাজ করেছেন।
এ বাহিনীর স্থায়ী, অস্থায়ী ও স্বেচ্ছাসেবীসহ প্রায় ৬০ লক্ষ সদস্য-সদস্যা রয়েছে। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতিকল্পে বাহিনীর সদস্য-সদস্যাদের বিভিন্ন কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয় এবং সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারীদেরকে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে জামানত বিহীন ঋন প্রদান করা হয়। প্রতি বছর ৩২ টি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এ বাহিনীর প্রায় ৫০০০ জন সদস্য-সদস্যাকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। দেশের সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে এ বাহিনীর স্বেচ্ছাসেবী সদস্য-সদস্যাদের ১০% কোটা সুবিধা রয়েছে।
দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন ও সরকারের নির্দেশে অন্যান্য বাহিনীকে সহায়তা প্রদান করা, আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন কল্পে বাহিনীর সদস্যাদের বিভিন্ন কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান, সরকারি বেসরকারি সংস্থা সমূহের চাহিদার ভিত্তিতে নিরাপত্তা সেবা প্রদান, প্রশিক্ষণ ও অঙ্গীভূত করণের মাধ্যম কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, সভা সেমিনারের মাধ্যমে গণসচেতনতা বৃদ্ধি তথা দেশের সামগ্রিক উন্নতি ও অগ্রগতিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ব্যপক অবদান রাখছে এবং এ বাহিনীর দায়িত্বের পরিধি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

স্বাধীন আহম্মেদঃসবাই বিপদে পরলে খোজ করে?

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
কাউকে কার কাজে লাগে না, কাউকে ছারা কাজ হয়না।
পরিহাসের তারকাটায়  আটক সবাই,
বিপদেই তদারকি,আর শেষ হলে কার খোজ কে করে।
হায়রে মানুষ।
এমনি একটি বাস্তব ঘটনায় মানুষকে কাদিয়ে দেয়।

স্বাধীন আহম্মেদঃসবাই বিপদে পরলে খোজ করে?

https://facebook.com/akakishadhin.akakishadhin.com
কাউকে কার কাজে লাগে না, কাউকে ছারা কাজ হয়না।
পরিহাসের তারকাটায়  আটক সবাই,
বিপদেই তদারকি,আর শেষ হলে কার খোজ কে করে।
হায়রে মানুষ।
এমনি একটি বাস্তব ঘটনায় মানুষকে কাদিয়ে দেয়।